১০ মাসেই গত বছরের চেয়ে বেশি রেমিট্যান্স

ফাইল ছবি

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই ২০২৪ - এপ্রিল ২০২৫) বাংলাদেশে প্রবাসী আয় পৌঁছেছে ২৪.৫৪ বিলিয়ন ডলারে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২৮.৩% বেশি এই অগ্রগতি দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে।

 

২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে প্রবাসীরা প্রেরণ করেছেন ২.৭৫ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাসিক রেমিট্যান্স। এই মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৪.৬% বৃদ্ধি পেয়েছে

 

বিশ্লেষকরা রেমিট্যান্স বৃদ্ধির পেছনে কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করেছেন:

  • সরকারি প্রণোদনা: প্রবাসীদের জন্য প্রণোদনা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

  • হুন্ডি প্রতিরোধ: অবৈধ হুন্ডি চ্যানেলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

  • ব্যাংকিং সেবা উন্নয়ন: প্রবাসীদের জন্য ব্যাংকিং সেবা সহজতর করা হয়েছে।

  • আস্থা বৃদ্ধি: অন্তর্বর্তী সরকারের পদক্ষেপে প্রবাসীদের মধ্যে দেশের প্রতি আস্থা বেড়েছে

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, এই রেমিট্যান্স প্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে, বৈদেশিক ঋণের চাপ কমাতে এবং বাণিজ্যিক এলসি খোলায় সহায়তা করছে।

 

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বাড়ানো গেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শ্রমিকদের বিদেশে পাঠানো হলে আয় আরও কয়েক গুণ বাড়তে পারে।

এই রেমিট্যান্স প্রবাহ দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে এবং বৈদেশিক মুদ্রার সংকট মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।