পাইপলাইনে তেল পরিবহন শুরু: সাশ্রয় হবে ২৩৬ কোটি টাকা
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল পরিবহনের জন্য নেওয়া প্রকল্পের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইন স্থাপন করা হয়েছে এবং আজ থেকেই পরীক্ষামূলকভাবে তেল পরিবহন শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) পরিচালক (অপারেশন ও পরিকল্পনা) ও সরকারের যুগ্ম সচিব ড. এ কে এম আজাদুর রহমান।
তিনি জানান, যদিও ৭ মে থেকে পরীক্ষামূলক পরিবহন শুরু করার পরিকল্পনা ছিল, বাস্তবে তা আজ থেকেই কার্যকর হয়েছে। এই ধাপটি সাত থেকে ১০ দিন পর্যন্ত চলবে এবং এ সময়ে সম্ভাব্য ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করে তা সংশোধন করা হবে। এরপর পাইপলাইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে পূর্ণমাত্রায় তেল পরিবহন শুরু হবে।
এই পাইপলাইনের দুটি অংশ রয়েছে— একটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থেকে ফেনী, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মুন্সীগঞ্জ হয়ে নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল ডিপো পর্যন্ত এবং অন্যটি গোদনাইল থেকে ফতুল্লা পর্যন্ত বিস্তৃত।
প্রকল্পটি অনুমোদন পায় ২০১৮ সালের অক্টোবরে। শুরুতে এর সময়সীমা ধরা হয়েছিল ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত, কিন্তু প্রকৃত নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২০ সালেই। পরে প্রকল্পের মেয়াদ দুই দফায় বাড়িয়ে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রথমে প্রকল্প ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা, যা পরবর্তীতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকায়।
বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, পাইপলাইনের মাধ্যমে বছরে প্রায় ২৭ লাখ টন ডিজেল পরিবহন করা সম্ভব হবে এবং এর ফলে প্রতি বছর আনুমানিক ২৩৬ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।

.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)


.jpg)
.jpg)
.jpg)