হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরায়েলের বিমানবন্দরে, আহত ৮

ছবিঃ সংগৃহীত

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, এতে অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। এই হামলার পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হুতিদের এবং তাদের মিত্র ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

 

৪ মে, ২০২৫ তারিখে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের টার্মিনাল ৩-এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এই হামলায় আটজন আহত হন এবং বিমানবন্দরের একটি সড়ক ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়, যা ইসরায়েলের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে

হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানান, এই হামলা গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় চালানো হয়েছে। তিনি আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোকে ইসরায়েলগামী ফ্লাইট বাতিলের আহ্বান জানান, কারণ বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর এখন আর নিরাপদ নয়

 

প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এই হামলার পর এক ভিডিও বার্তায় বলেন, "যারা ইসরায়েলকে আঘাত করবে, তারা চরম মূল্য দেবে।" তিনি হুতিদের এবং তাদের পৃষ্ঠপোষক ইরানের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ও কঠোর প্রতিশোধের প্রতিশ্রুতি দেন

 

এই হামলার পর বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা ইসরায়েলগামী ফ্লাইট স্থগিত করেছে, যার ফলে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটেএছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনের হুতি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে, যার ফলে হুতিদের সামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

 

এই ঘটনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। হুতিদের পক্ষ থেকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আরও হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে, এবং ইসরায়েলও প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এই পরিস্থিতি আরও বড় আকারের সংঘাতে রূপ নিতে পারে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলবে।

 

এই হামলার ফলে ইসরায়েলের বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলো তাদের ফ্লাইট বাতিল করেএছাড়া, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কারণ এটি হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়েছে।

এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে এবং ইসরায়েল-ইরান সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটাতে পারে।