বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার সম্পর্ক বাড়বে,ভিসা প্রসেসিং হবে ঢাকা থেকেই

সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার ২০২৫ সালের ফেডারেল নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের নেতৃত্বে লেবার পার্টি একটি ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছে। দলটি অন্তত ৮৬টির বেশি আসনে জয় পেয়ে আগের চেয়ে আরও বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে। ১৯০১ সালের পর এবারই প্রথম কোনো লেবার নেতা পরপর দুই মেয়াদে নির্বাচিত হলেন।

অন্যদিকে, বিরোধীদলীয় নেতা পিটার ডাটন তার নিজ আসন ডিকসনে লেবার প্রার্থী আলি ফ্রান্সের কাছে হেরে গেছেন, যা অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে এক বিরল ঘটনা, কারণ বিরোধীদলীয় নেতারা সাধারণত নিজ আসনে পরাজিত হন না।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের সময় লেবার পার্টির একতা, স্বচ্ছতা এবং প্রতিশ্রুতির প্রতি জোর দেওয়াই তাদের বিজয়ের মূল চাবিকাঠি ছিল। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অভিবাসন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে তারা সুস্পষ্ট ও দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে।

বাংলাদেশিদের জন্যও এসেছে বিশেষ সুখবর—নতুন সরকারের অধীনে এখন থেকে অস্ট্রেলিয়ার সব ভিসা প্রক্রিয়া সরাসরি বাংলাদেশ থেকে সম্পন্ন হবে। ঢাকায় একটি হোম অ্যাফেয়ার্স অফিস চালু হচ্ছে, যেখান থেকে অভিবাসন সংক্রান্ত সব তথ্য ও সেবা সরবরাহ করা হবে। এতে আশা করা হচ্ছে, বাংলাদেশিদের ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত হবে এবং দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও মজবুত হবে।