বেতন গ্রেডের দাবিতে সারাদেশে ৪ লাখ প্রাথমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতি শুরু
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৪ লাখ সহকারী শিক্ষক আজ সোমবার (৫ মে) থেকে দেশব্যাপী কর্মবিরতি শুরু করেছেন। বেতন গ্রেড উন্নীতকরণসহ তিন দফা দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করছেন তারা। ‘প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ’ এই কর্মসূচির আহ্বান জানিয়েছে।
দাবিসমূহ:
-
সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড ১৩তম থেকে ১১তম গ্রেডে উন্নীতকরণ।
-
চাকরিতে ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির জটিলতা নিরসন।
-
প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতির ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ।
বর্তমানে সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে বেতন পান, যার শুরুর মূল বেতন ১১,০০০ টাকা। প্রধান শিক্ষকরা ১১তম গ্রেডে বেতন পান। তবে উচ্চ আদালতের রায়ে প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সহকারী শিক্ষকরাও তাদের বেতন গ্রেড বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন।
কর্মসূচির সময়সূচি:
-
৫–১৫ মে: প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে কর্মবিরতি।
-
১৬–২০ মে: প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে কর্মবিরতি।
-
২১–২৫ মে: অর্ধদিবস কর্মবিরতি।
-
২৬ মে থেকে: দাবি পূরণ না হলে লাগাতার পূর্ণদিবস কর্মবিরতি।
ঐক্য পরিষদের নেতা মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ জানিয়েছেন, সরকার তাদের দাবির বিষয়ে কোনো ইতিবাচক সাড়া না দেওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে এই কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন।
সরকার গঠিত পরামর্শক কমিটি সহকারী শিক্ষকদের জন্য শুরুতে ১২তম গ্রেড এবং চার বছর পর ১১তম গ্রেডে পদোন্নতির সুপারিশ করেছে। তবে শিক্ষকরা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং শুরুর পদেই ১১তম গ্রেড দাবি করছেন।
এই আন্দোলনের ফলে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটতে পারে। শিক্ষকরা তাদের দাবি আদায়ে অনড় অবস্থানে রয়েছেন, এবং সরকার এখনও কোনো সমঝোতার প্রস্তাব দেয়নি।
.jpg)
.jpg)




.jpg)
.jpg)
.jpg)