জামিন পেয়ে যুবলীগ নেতার তাণ্ডব

বরিশালে বিএনপির ৬ নেতাকর্মীকে কুপিয়ে জখম|

মাদক বাণিজ্যে বাধা দেয়ায় জামিনে মুক্তি পেয়ে বরিশাল মৎসজীবী দলের যুগ্ম আহ্বায়কসহ ৬ বিএনপি নেতাকর্মীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য আল-আমিন।

 

রোববার (৫ মে) দিনগত গভীর রাতে নগরীর স্টেডিয়াম কলোনীতে এ ঘটনা ঘটে।

 

আল-আমিন বরিশাল নগরীর চাঁদমারি এলাকার করিম হাওলাদারের ছেলে ও ১১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য।

 

আহতরা হলেন- বরিশাল মহানগর মৎসজীবী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদাউস হাওলাদার, ১১ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আসলাম, বিএনপি নেতা রেজাউল করিম রাজা, কর্মী শাহিন, কাওসার ও রাজিব খান।

 

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।

 

আল-আমিন বাহিনীর মাদক বাণিজ্যে বাধা দেয়ায় এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। আহতরা বরিশাল শের ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

এর আগেও ২০২৪ সালে ৪ সেপ্টেম্বর নগরীর স্টেডিয়াম কলোনী এলাকার মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের কুপিয়েছিলেন তিনি। সেই ঘটনায় কারাগারে গেলেও জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারো একই ঘটনা ঘটিয়েছেন আল-আমিন।

 

আহত আসলামের ভাই আবদুর রহিম বলেন, ‘স্বৈরাচারী সরকার পালিয়ে গেলেও স্টেডিয়াম কলোনীতে সন্ত্রাসী আল-আমিন বাহিনীর অত্যাচার এখনো অতিষ্ঠ জনসাধারণ। আল-আমিন গত ১৭ বছর যাবত ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মজিবর রহমানের ক্যাডার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এখনো এলাকার জমি দখল, মাদক বাণিজ্য সবই চলে আল-আমিনের নিয়ন্ত্রণে। তাই মাদক ব্যবসায় বাধা দেয়ায় ৬ জনকে কুপিয়ে আহত করেছে।’ আহতদের চিকিৎসা শেষে মামলা করবেন বলে জানান তিনি।

 

বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘কোপানোর ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিভিন্ন অপরাধে আল-আমিনের বিরুদ্ধে ডজনখানেক মামলা চলমান রয়েছে।’