হাসনাত আব্দুল্লাহর গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে রাজধানী ও গাজীপুরে এনসিপির বিক্ষোভ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ করেছে দলটির নেতাকর্মীরা।
রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা একত্রিত হয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন। পরে রাত ১০টার দিকে তারা মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের দিকে রওনা হন। সেখানে তারা দ্রুত হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান এবং আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণার আহ্বান জানান।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া নেতাদের নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে, যার ফলে একের পর এক হামলার শিকার হচ্ছেন আন্দোলনের শীর্ষ নেতৃত্ব। তারা হুঁশিয়ারি দেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো উপদেষ্টা বা রাজনৈতিক দল হামলাকারীদের পক্ষ নিলে, তাদের বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
এ ছাড়া, আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্যেরও তীব্র প্রতিবাদ জানান তারা। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে এত প্রাণহানির পরও আওয়ামী লীগের কোনো অনুশোচনা নেই, এবং তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রশ্ন ৫ আগস্টেই নির্ধারিত হয়েছে। সেই সঙ্গে, আওয়ামী লীগের যারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিচারের দাবিও তোলেন তারা।
বক্তারা আরও বলেন, সমন্বয়কদের ওপর হামলা চালালে হামলাকারীদের পরিণতিও আওয়ামী লীগের মতোই হবে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সমন্বয়কদের দিকে তাকালেই জনগণ তাদের রুখে দেবে।
এদিকে, হাসনাত আব্দুল্লাহর ওপর হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে গাজীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল বের করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও এনসিপির নেতাকর্মীরা। রাত ৯টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় জড়ো হয়ে তারা বিক্ষোভ করেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা এ হামলার জন্য ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছেন।
প্রসঙ্গত, রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় হাসনাত আব্দুল্লাহর গাড়িতে হামলা হয়। এতে তার হাতে আঘাত লাগে এবং গাড়ির কাচ ভাঙচুর করা হয় বলে জানা গেছে।

1.jpg)




.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)