নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বড় জয় বাংলাদেশের

হেসে-খেলেই প্রথম ওয়ানডেতে জয় তুলে নিলো বাংলাদেশ ‘এ’ দল। নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলকে পাত্তাই দেয়নি টাইগাররা। ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়েই সিলেটে বড় জয় তুলে নিয়েছে নুরুল হাসান সোহানের দল।

 

সোমবার আগে ব্যাট করতে নেমে শরিফুল-তানভীরদের বোলিং তোপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। ৩৪.৩ ওভারে মাত্র ১৪৭ রানে শেষ হয় তাদের ইনিংস। জবাবে ২৭.২ ওভারেই ৭ উইকেট হাতে রেখে জিতে যায় স্বাগতিকেরা।

 

১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় অবশ্য ৬ ওভারের মাঝেই দুই ওপেনার নাইম শেখ ও পারভেজ হোসেন ইমনের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। নাইম ২০ বলে ১৮ ও ইমন ১২ বলে ২৪ রান করে ফিরে যান। দু’জনকেই ফেরান ক্লার্ক।

 

এরপর ৫৫ রানের জুটি গড়েন এনামুল হক বিজয় ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। ৪৫ বলে ৩৮ রানে ফিরেন বিজয়। এরপর অঙ্কন ৬১ বলে ৪২ ও অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান ২৬ বলে ২০ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিশ্চিত করেন।

 

এর আগে কিউইদের দাঁড়াতেই দেয়নি বাংলাদেশ। টাইগার বোলারদের তোপে রীতিমতো বিধ্বস্ত হয় তারা। ৫০ পেরোতেই হারিয়ে ফেলে ৮ উইকেট। যদিও শেষ দিকে ডেন ফক্সক্রফ্টের দারুণ ব্যাটিংয়ে দেড় শ’র কাছাকাছি পৌঁছায় স্কোর।

 

শুরুটা করেন দুই পেসার খালেদ আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম। মাত্র ১৩ রানে দুজনে মিলে তুলে নেন ৪ উইকেট। এরপর যোগ দেন এবাদত হোসেন আর তানভীর ইসলাম। ৬২ রানে ৮ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।

 

প্রথমে ডেল ফিলিপসকে ডাক বানিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরান শরিফুল ইসলাম। তিনে নামা ম্যাট বয়েলকেও ০ রানে ফেরান খালেদ। এক বল পর তার শিকার মোহাম্মদ আব্বাস। রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনিও।

 

এমকি নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের অধিনায়ক নিক কেলিও ফেরেন কোনো রান যোগ করার আগে, শরিফুলের দ্বিতীয় শিকার হয়ে। অর্থাৎ প্রথম ৪ উইকেটের কেউ পাননি রানের দেখা।

 

তাদের স্কোরবোর্ডে রান আসতে থাকে ওপেনার রাইস মারিউর কল্যাণে। জশ ক্লার্কসনকে নিয়ে তিনি যোগ করে ফেলেন ৩৫ রান। তাদের জুটি ভাঙেন এবাদত হোসেন। এরপর মারিউকে ফেরান তানভীর। ৪২ রান করেন তিনি।

 

এরপর তানভীরের ঘূর্ণিতে দ্রুত আরো কয়েকটা উইকেটের পতন হয়। আর কেউ পারেননি দুই অঙ্কের ঘরে যেতে। ৬২ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর হাল ধরেন ফক্সক্রফট। তার প্রচেষ্টাতেই ১৪৭ পর্যন্ত পৌঁছায় কিউইরা।

 

৬৪ বলে একাই করেন ৭২ রান। শেষ উইকেট জুটিতে আসে ৬২। তানভীর ও খালেদ নেন ৩টি করে উইকেটে। জোড়া উইকেট নেন এবাদত ও শরিফুল ইসলাম।