গুগলের পিক্সেল ৯এ ফোন কবে আসছে বাজারে, অবশেষে জানা গেল

গুগল পিক্সেল ৯এ উন্মোচিত হয়েছে চলতি মাসের (মার্চের) ১৯ তারিখে। প্রাথমিকভাবে কথা ছিল, ১৯ মার্চ থেকেই ফোনটির প্রি-অর্ডার শুরু হবে এবং দোকানে পাওয়া যাবে ২৬ মার্চ থেকে। কিন্তু বিধি বাম! উন্মোচনের পরেই জানা গেল, প্রি-অর্ডার ও বাজারে আসার সম্ভাব্য তারিখ দুটোই পিছিয়েছে এপ্রিল পর্যন্ত। ৯এ মডেলের কয়েকটি ডিভাইসে যন্ত্রাংশের মান নিয়ে সমস্যা দেখা দেওয়ায় পূর্বনির্ধারিত সময়ে আসছে না ফোনটি। তবে অবশেষে জানা গেল কবে নাগাদ বাজারে আসতে যাচ্ছে পিক্সেলের এই নয়া সদস্যটি। গুগল জানিয়েছে, আগামী ১০ এপ্রিল থেকে আমেরিকা, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের বাজারে স্টোরগুলোতে পাওয়া যাবে পিক্সেল ৯এ ফোনটি। 

এআই ফিচারে

গুগল পিক্সেল ৯এ উন্মোচিত হয়েছে চলতি মাসের (মার্চের) ১৯ তারিখে। প্রাথমিকভাবে কথা ছিল, ১৯ মার্চ থেকেই ফোনটির প্রি-অর্ডার শুরু হবে এবং দোকানে পাওয়া যাবে ২৬ মার্চ থেকে। কিন্তু বিধি বাম! উন্মোচনের পরেই জানা গেল, প্রি-অর্ডার ও বাজারে আসার সম্ভাব্য তারিখ দুটোই পিছিয়েছে এপ্রিল পর্যন্ত। ৯এ মডেলের কয়েকটি ডিভাইসে যন্ত্রাংশের মান নিয়ে সমস্যা দেখা দেওয়ায় পূর্বনির্ধারিত সময়ে আসছে না ফোনটি। তবে অবশেষে জানা গেল কবে নাগাদ বাজারে আসতে যাচ্ছে পিক্সেলের এই নয়া সদস্যটি। গুগল জানিয়েছে, আগামী ১০ এপ্রিল থেকে আমেরিকা, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের বাজারে স্টোরগুলোতে পাওয়া যাবে পিক্সেল ৯এ ফোনটি। 

এআই ফিচারে সমৃদ্ধ, ক্যামেরা বাম্পহীন ৯এ মডেলটি ব্যাটারি ব্যাকআপের দিক থেকে ছাড়িয়ে গেছে পিক্সেল ৯ সিরিজের বাকি ফোনগুলোকেও। এক চার্জে ৩০ ঘন্টা পর্যন্ত ব্যাটারি ব্যাকআপের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে গুগল। ব্যাকসাইডে ৪৮ মেগাপিক্সেলের মূল ক্যামেরা ছাড়াও আছে ১৩ মেগাপিক্সেলের আলট্রাওয়াইড ক্যামেরা। 

অ্যাড মি, ম্যাজিক এডিটর, বেস্ট টেক, পিক্সেল স্টুডিও ইত্যাদি এআই ফিচারগুলো নির্বিঘ্নে ব্যবহারের জন্য ফোনটিতে আছে শক্তিশালী টেনসর জি৪ প্রসেসর। আইরিস (বেগুনি-নীল), পিওনি (হালকা গোলাপি), পোর্সেলিন (সাদা/ হালকা ক্রিম), অবসিডিয়ান (কালো)- এই চারটি রঙে পাওয়া যাবে পিক্সেল ৯এ ফোনটি। 

ফোনটিতে র‍্যাম ৮ জিবি হলেও স্টোরেজ অপশন আছে দুটি- ১২৮জিবি ও ২৫৬জিবি। এত সব ফিচারে সমৃদ্ধ ফোনটির ১২৮জিবি ভার্সনটির দাম ৪৯৯ ডলার। তবে ২৫৬জিবি’র জন্য খরচ করতে হবে পারে ৫৯৯ ডলার পর্যন্ত।

সার্বিকভাবে ৪৯৯ ডলার থেকে শুরু হওয়া একটি ফোনকে বাজেট বা সাশ্রয়ীমূল্যের ফোন বলাটা সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলেই মনে করতে পারেন অনেকে। কিন্তু আইফোন, গ্যালাক্সি, পিক্সেলের মতো ফ্ল্যাগশিপ ফোনের ক্যাটাগরিতে ৫০০ ডলারের একটি ফোনকে সাশ্রয়ীমূল্যের ফোন বলা যেতেই পারে। বিশেষ করে উন্নত ফিচারে সমৃদ্ধ নতুন ফোনের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী না বলে আর উপায় কি!

সমৃদ্ধ, ক্যামেরা বাম্পহীন ৯এ মডেলটি ব্যাটারি ব্যাকআপের দিক থেকে ছাড়িয়ে গেছে পিক্সেল ৯ সিরিজের বাকি ফোনগুলোকেও। এক চার্জে ৩০ ঘন্টা পর্যন্ত ব্যাটারি ব্যাকআপের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে গুগল। ব্যাকসাইডে ৪৮ মেগাপিক্সেলের মূল ক্যামেরা ছাড়াও আছে ১৩ মেগাপিক্সেলের আলট্রাওয়াইড ক্যামেরা। 

অ্যাড মি, ম্যাজিক এডিটর, বেস্ট টেক, পিক্সেল স্টুডিও ইত্যাদি এআই ফিচারগুলো নির্বিঘ্নে ব্যবহারের জন্য ফোনটিতে আছে শক্তিশালী টেনসর জি৪ প্রসেসর। আইরিস (বেগুনি-নীল), পিওনি (হালকা গোলাপি), পোর্সেলিন (সাদা/ হালকা ক্রিম), অবসিডিয়ান (কালো)- এই চারটি রঙে পাওয়া যাবে পিক্সেল ৯এ ফোনটি। 

ফোনটিতে র‍্যাম ৮ জিবি হলেও স্টোরেজ অপশন আছে দুটি- ১২৮জিবি ও ২৫৬জিবি। এত সব ফিচারে সমৃদ্ধ ফোনটির ১২৮জিবি ভার্সনটির দাম ৪৯৯ ডলার। তবে ২৫৬জিবি’র জন্য খরচ করতে হবে পারে ৫৯৯ ডলার পর্যন্ত।

সার্বিকভাবে ৪৯৯ ডলার থেকে শুরু হওয়া একটি ফোনকে বাজেট বা সাশ্রয়ীমূল্যের ফোন বলাটা সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলেই মনে করতে পারেন অনেকে। কিন্তু আইফোন, গ্যালাক্সি, পিক্সেলের মতো ফ্ল্যাগশিপ ফোনের ক্যাটাগরিতে ৫০০ ডলারের একটি ফোনকে সাশ্রয়ীমূল্যের ফোন বলা যেতেই পারে। বিশেষ করে উন্নত ফিচারে সমৃদ্ধ নতুন ফোনের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী না বলে আর উপায় কি!