শরীরে কোলেস্টেরল বাড়লে পায়ে দেখা দেয় এই বিপজ্জনক লক্ষণগুলি

কোলেস্টেরল বাড়লে হৃদরোগের ঝুঁকি: যখন শরীরে ব্যাড কোলেস্টেরল (LDL) বাড়তে থাকে, তখন এটি রক্তনালীগুলোর মধ্যে জমতে শুরু করে। এর ফলে হৃদপিণ্ডে রক্ত প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয় এবং হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।
 
পায়ের রক্তনালী সংকুচিত হয়ে যাওয়া: হাই কোলেস্টেরলের কারণে পায়ের ধমনীগুলো (Peripheral Arteries) সরু হয়ে যেতে পারে। এর ফলে হাঁটার সময় বা হালকা চলাচলেও পায়ে ব্যথা অনুভব হতে পারে, যাকে Peripheral Artery Disease (PAD) বলা হয়।
 
পায়ে ঝিনঝিন বা অবশ হয়ে যাওয়া: কোলেস্টেরল বাড়লে রক্ত সঞ্চালনে বাধা পড়ে। তখন পায়ে পর্যাপ্ত রক্ত না পৌঁছানোয় অবশভাব বা ঝিনঝিনে অনুভূতি হয়। বিশেষ করে রাতে ঘুমের সময় বা বসে থাকার সময় এটি বেশি হয়।
পা ফোলা: ব্যাড কোলেস্টেরল জমে গেলে রক্ত চলাচলে সমস্যা হয়, যার কারণে পায়ের বিভিন্ন অংশে, বিশেষত হাঁটু ও পায়ের গোড়ালিতে ফোলা দেখা দিতে পারে।
হাঁটতে গিয়ে পায়ে দুর্বলতা: শরীরে পর্যাপ্ত অক্সিজেনযুক্ত রক্ত না পৌঁছানোর কারণে চলার সময় পায়ে দুর্বলতা ও ক্লান্তি দেখা দিতে পারে। এমনকি সামান্য হাঁটলেই বিশ্রামের প্রয়োজন পড়ে।
পায়ের ত্বকে ঠান্ডাভাব: যখন রক্ত চলাচলে বাধা আসে, তখন পায়ে ঠান্ডা অনুভূত হয়। বিশেষ করে পায়ের আঙুল বা গোড়ালিতে ঠান্ডা স্পর্শ অনুভব করলে সেটা হতে পারে হাই কোলেস্টেরলের লক্ষণ।
 
পায়ের ত্বকের রঙ বদলে যাওয়া: কোলেস্টেরল জমে গিয়ে রক্তপ্রবাহ বন্ধ হলে পায়ের রঙে পরিবর্তন দেখা যায়। কখনও কখনও পায়ের ত্বক নীলচে, হালকা হলুদ বা ধূসর রঙ ধারণ করে।
 
ক্ষত সারে না সহজে: যদি পায়ে কোন কাটাছেঁড়া বা ক্ষত হয় এবং তা দীর্ঘদিনেও না শুকায়, তাহলে সেটিও হতে পারে খারাপ কোলেস্টেরলের লক্ষণ। কারণ রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হলে ক্ষত শুকাতে সময় লাগে।
দ্রুত চিকিৎসা দরকার: এইসব লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ নেওয়া উচিত। সময়মতো চিকিৎসা না হলে এটি জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা ডেকে আনতে পারে।